Published On: Tue, Jan 8th, 2019

যে একডজন খাদ্য আপনার ডায়েটে মাস্ট

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কি খাবো আর কি খাবো না এই নিয়ে সকলেই দ্বিধান্বিত। আজ যা বলা হচ্ছে খান, দুদিন পর তাই বলা হচ্ছে খাবেন না। ফলে আমজনতা বুঝেই উঠতে পারছেন না এই শীতে বিট-গাজর খাবেন নাকি খাদ্য তালিকা থেকে সেগুলি বাদ রাখবেন। কিন্তু কিছু খাবার থাকে যা আমাদের শরীরের পক্ষে অপরিহার্য্য। একবার চোখ বুলিয়ে নিন সেই তালিকায়।

অ্যাভোকাডো কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন অ্যাভোকাডো খান। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে মোনো এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। ব্রেকফাস্টে ব্রেডের সঙ্গে খেতে পারেন। বা অন্য কোন ভাবেও খেতে পারেন। যে কোনও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে পাবেন।

অ্যাসপারগাস  ডিপ্রেশন থেকে শরীরে ভিটামিন বি১২ এর অভাব। প্রতিদিন রান্না করে এক কাপ অ্যাসপারগাস খেতে পাকলে সেই সম্ভাবনা অনেকটা কমে। এছাড়াও এর পুষ্টিমূল্য খুব বেশি। তাই ওষুধ কম খেয়ে অযাসপারগাস খান।

গাজর  গাজরের মধ্যে যে বিটা ক্যারোটিন থাকে তা ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেক কমিয়ে দেয়। বিশেষত প্রোস্টেট ক্যানসারের। সম্প্রতি রিসার্চ তাই বলছে। যারা প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় বিটা ক্যারোটিন রাখেন তাদের ক্যান্সারের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

ডার্ক চকোলেট  চকোলেট খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। কিন্তু মোটা হয়ে যাওয়ার ভয়ে চট করে খেতে পারেন না। চকোলেট খান। তবে ডার্ক চকোলেট খান। কারণ এই চকোলেট আপনার ত্বককে ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করে। শরীর থেকে অতিরিক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বের করে দেয়। এছাড়াও ধমনীতে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে সাহায্য করে ডার্ক চকোলেট। যাদের রক্তচাপ কম তাদের প্রতিদিন এক টুকরো করে ডার্ক চকোলেট খাওয়া উচিত।

মৌরি  কাঁচা অথবা রান্নায় মৌরি আমরা ব্যবহার করি। খাওয়ার পর অনেকেরই মুখশুদ্ধি হিসেবে মৌরি খাওয়া অভ্যেস। ফলে বাড়িতো মৌরি ভেজে কৌটোতে করে রাখা হয়। মৌরি ভাজলে তার স্বাদ বেশ খানিক মিষ্টি হয়ে যায়। কিন্তু কাঁচায় তার মধ্যে লিকোরিস ফ্লেভার থাকে। থাকে ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাসিয়াম। তাই মৌরি কাঁচা চিবিয়ে খান।

চর্বি ছাড়া মাংস খান  রেওয়াজী খাসির ঝোল নয়। চর্বি ছাড়া কচি পাঁঠা, ভেড়া, গরু চলতে পারে। কারণ এর মধ্যে জিঙ্ক, আয়রন, প্রোটিন থাকে। তবে নিরামিষ প্রচুর খাবার থেকেও সম পরিমাণ আয়রন পাওয়া যায়।

মুসুরের ডাল  অনেকেরই জন্মগত ভাবে হাড়ের জোর কম থাকে। প্রতিদিন একবাটি মুসুরের ডাল খেলে হাড় ক্ষয়ের মতো রোগ থেকে রেহাই মেলে। এছাড়াও মুসুরের ডালে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। যা হাড়ের গঠনে সাহায্য করে।

পিনাট বাটার  ডায়াবেটিকের রোগীরাও এই পিনাট বাটার খেতে পারেন। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব কম। এছাড়াও সুগার লেভেল কন্ট্রোল করে এই পিনাট বাটার।

স্যালমন মাছ  এই মাছে প্রচুর প্রোটিন থাকে। ভিটামিন বি থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এই মাছ খেলে হার্টের রোগের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে ফ্রেশ যে কোনও মাছ রাখুন।

সূর্যমুখীর বীজ  সূর্যমুখীর বীজে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এছাড়াও নার্ভের সমস্যায় খুবই উপকারী। তাই পারলে সপ্তাহে একদিন এক কাপ সূর্যমুখীর বীজ খান।

টোফু  এরমধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো আ্যাসিড, প্রোটিন থাকে। থাকে জিঙ্ক, ভিটামিন বি এবং কপার। যদি টোফু না পান তাহলে সোয়া বিনস চলতে পারে।

সামুদ্রিক মাছ  অনেকেই পছন্দ করেন। অনেকেই আবার নাক কুঁচকোন। কিন্তু সামুদ্রিক মাছ আপনার হরেক উপকারে আসবে। তাই অবশ্যই একে খাদ্য তালিকায় রাখুন।