Published On: Mon, Jan 7th, 2019

খালি পেটে হলুদ খান আর দেখুন ম্যাজিক

রান্নার ক্ষেত্রেই হোক বা রূপচর্চা, হলুদের জুড়ি মেলা ভার৷ কিন্তু জানেন কি হলুদ ওষুধ হিসেবেও দারুণ কাজ করে? কাঁচা হলুদ বহু রোগ থেকে আপনাকে দূরে রাখবে, যদি সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে মধুর সঙ্গে একটু কাঁচা হলুদ খেতে পারেন, তাহলে কিছুদিন পরে নিজেই এর সুফল টের পাবেন! ১) হলুদ কিন্তু বাড়তি মেদ ঝরাতে সাহায্য করে৷ হলুদের মধ্যে থাকা রাসায়নিক পদার্থ কারকিউমিন, শরীরে খুব তাড়াতাড়ি মিশে যায়।এবং শরীরের কলাগুলোকে বাড়তে দেয় না।

২) কাঁচা হলুদের সাথে দুধের সর মিশিয়ে, সেই মিশ্রণ মুখে মাখুন ফেস প্যাক হিসাবে। নিয়মিত লাগালে বলিরেখা দূর করতে তা সাহায্য করতে পারে৷ ৩) কাঁচা হলুদ ও শুকনো কমলার খোসা একসঙ্গে বেটে সেই মিশ্রণ স্ক্রাবার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন৷ প্রাকৃতিক উপায়ে তক্বের জেল্লা ফেরাতে পারে এই স্ক্রাবার৷ ৪) হলুদের মধ্যে ফিনোলিক যৌগিক কারকিউমিন রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে৷

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

৫) যাঁরা ব্রণর সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের কাছে কাঁচা হলুদ দারুণ উপকারী একটি জিনিস৷ কাঁচা হলুদ বাটা, আঙ্গুরের রস ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রনের উপরে লাগান। একটু পরে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ মিলিয়ে যাবে এবং এতে ইনফেকশনেরও ভয় থাকবে না৷ ৬) সূর্যের তাপে ত্বকে ট্যান এসেছে? তাহলে কাঁচা হলুদ বাটার মধ্যে দই মিশিয়ে লাগান৷ পোড়া ভাব দূর হয়ে যাবে। ৭) সর্দি-কাশি হলে হলুদ এক অব্যর্থ ওষুধ৷

কাশি কমাতে হলে এক টুকরো কাঁচা হলুদ মুখে রাখুন। এছাড়া এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে হলুদের গুঁড়ো এবং গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়েও পান করতে পারেন৷ দেখবে খুব তাড়াতাড়ি আরাম পাবেন৷ ৮) গা-হাত পা-এ ব্যথা হলে দুধের মধ্যে একটু হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টের ব্যথা হলে হলুদের পেস্ট তৈরি করে প্রলেপ দিতে পারেন। দেখবেন আরাম পাবেন৷ ৯) আয়ুর্বেদিক মতে, হলুদ নাকি রক্ত শুদ্ধ করে।, তাই হলুদের ফুলের পেস্ট চর্ম রোগ দূর করতে সাহায্য করে বলে শোনা যায়৷

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

গর্ভপাতের জন্য দায়ী হতে পারে যে খাবারগুলো! ! নারীদের জন্য গর্ভধারণ জীবনে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করার মতো। কিন্তু মা হওয়ার আনন্দ অঙ্কুরেই বিনষ্ট হবে যদি অসাবধানতায় ঘটে যায় গর্ভপাতের মতো দুর্ঘটনা। জেনে নিন খাদ্য তালিকা থেকে কোন খাবারগুলো বাদ দিলে গর্ভপাতের ঝুঁকিমুক্ত থাকবেন আপনি! অঙ্কুরিত আলু: অঙ্কুরিত আলু শুধু গর্ভকালীন নারীদের জন্য নয় সকলের জন্য এটি ক্ষতিকর। আলু যখন অঙ্কুরিত হয় তখন সেটিতে নানান বিষাক্ত পর্দাথ দেখা দেয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সবুজ অঙ্কুরে সোলানিন নামক উপাদান রয়েছে যা ভ্রূণ বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে থাকে।

কলিজা: কলিজা পুষ্টিকর এবং মজাদার হলেও এটি গর্ভপাত ঘটাতে পারে যদি সেটি কোনো অসুস্থ প্রাণীর হয়ে থাকে। তাই কলিজা খাওয়ার সময়ে কিছুটা সচেতন থাকা উচিত। অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা জেল নারীর রুপচর্চার অন্যতম একটি উপাদান। কিন্তু গর্ভকালীন সময় অ্যালোভেরার জুস খাওয়া উচিত নয়। বেশি ভালো হয় এই সময়টি সকল ধরনের অ্যালোভেরা দিয়ে তৈরি পানীয় বা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

আনারস: গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস আনারস খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। এতে থাকা উপাদান গর্ভপাত ঘটাতে পারে। গর্ভকালীন পুরো সময়টি আনারস না খাওয়ার চেষ্টা করাই ভালো। তিল: গর্ভকালীন সময়ে তিল বা তিল জাতীয় খাবার কম খাওয়া উচিত। বিশেষ করে তিল মধুর সাথে মিশিয়ে খাওয়া খুবই ক্ষতিকর। এটি স্বতঃস্ফূর্ত গর্ভপাত ঘটিয়ে থাকে। কাঁচা পেঁপে: কাঁচা পেঁপে গর্ভপাতের জন্য দায়ী অন্যতম একটি খাবার হিসেবে গন্য করা হয়। কাঁচা পেঁপেতে ল্যাকট্রিক্স নামক একটি উপাদান আছে যা গর্ভপাতের মত দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। ধনেপাতা: ধনেপাতা অনেকের বেশ পছন্দ। কিন্তু গর্ভকালীন সময় এই খাবারটি এড়িয়ে চলুন। এমনকি ধনেপাতার জুস গর্ভধারণ হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।